আজ মঙ্গলবার ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত গৌরীপুরে থানার পাশে মাদক নিয়ে ধরা খেলো যুবক, ভ্রাম্যমান আদালতের ১৫দিনের সাজা প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে-প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গৌরীপুরে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল গৌরীপুরে রবীন্দ্র- নজরুল স্মরণ গৌরীপুরে সাকিব হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ গৌরীপুরে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের নবীনবরণ গৌরীপুরে আজিমুশ্বান ইসলামী দাওয়াতী জলসা রাবি বিএনসিসি’র প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের কন্যা অপর্না
নিজস্ব প্রতিবেদক || দৈনিক বাহাদুর
  • প্রকাশিত সময় : জানুয়ারি, ১৯, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ




ময়মনসিংহ-৩ প্রার্থীর রয়েছে স্বর্ণ, স্ত্রীদের গহনা নাই!

ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনে একাধিক প্রার্থীর রয়েছে নিজস্ব স্বর্ণ। তবে তাদের স্ত্রীদের নাই কোনো ‘গহনা।’ এক প্রার্থীর নিজেরও নেই, স্ত্রীরও স্বর্ণ বা গহনা নেই। আরেক প্রার্থীর নিজের স্বর্ণালংকার জানা নেই, স্ত্রীর কলাম রয়েছে ‘ফাঁকা। একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থীর নিজের ও স্ত্রীর রয়েছে স্বর্ণালংকার।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের তৈরি গহনার বিবরণী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বদরুজ্জামান। তার রয়েছে ৩ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার। তবে তার সহধর্মিণী তাছলিমা আক্তারের এ খাতের ঘর ফাঁকা (শূন্য)। অপর প্রার্থী বাংলাদেশ নেজাম ইসলাম পাটির প্রার্থী মো. আবু তাহের খানের স্বর্ণালংকার রয়েছে ৫ ভরি ওজনের। তবে তার স্ত্রী মোছা. ছালেহা বেগমের স্বর্ণালংকার নেই।

বাসদের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক একেএম আরিফুল হাসানের নিজেরও কোনো স্বর্ণালংকার নেই এবং তার স্ত্রী রেসমিনা হকেরও নেই। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. ফজলুর রহমানের স্বর্ণালংকার অজানা, তার স্ত্রীর রহিমা আক্তারের কলাম ‘ফাঁকা।’

উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণের সোনা রয়েছে ৩০ ভরি এবং তার স্ত্রী সাঈদা মাসরুর রয়েছে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার।

জানা যায়, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মো. বদরুজ্জামান কৃষি ও ব্যবসা থেকে আয় ৫ লাখ টাকা। আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত প্রদত্ত দান হিসেবে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের মধ্যে রয়েছে প্রবাসী ভাগিনা উপজেলার হাটশিরা গ্রামের হাসানুজ্জামানের ৩ লাখ টাকা, ভাতিজা পালান্দর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ভাই মুখলেছুর রহমানের ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তিনি উপজেলার পালান্দর গ্রামের জনাব আলী ও মোছা. তাছলিমা আক্তারের পুত্র।

এছাড়াও এ প্রার্থীর আত্মীয়-স্বজন ব্যতীত অন্যান্য ব্যক্তির কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের পরিমাণ নন্দীগ্রামের আবুল মুনসুরের ২ লাখ টাকা, উত্তর বাজারের গোলাম সারওয়ার ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, দাপুনিয়া পূর্ব মহল্লার আব্দুন নূরের ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অন্য কোনো উৎস থেকে প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও অন্য সহযোগী সংগঠনের ১০ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ জিআর আদালত ২০১৫সনের ঈশ্বরগঞ্জ থানায়। মামলাটি ২০২৫ সালে নিষ্পত্তি হয়।

আয়ের উৎসে রয়েছে কৃষি খাতে ৫০ হাজার টাকা, বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্ট ও স্থাবর সম্পত্তি ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ব্যবসা ১৮ লাখ ৭৫ হাজার ৪০ টাকা, নগদ অর্থ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাস-ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেল বিবরণীতে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের ১ লাখ টাকা, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ও বিদেশি রেমিট্যান্সের খাতে রয়েছে ২০ লাখ টাকা, কৃষি জমির পরিমাণে রয়েছে ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৮৭ শতাংশ জমি।

অপরদিকে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সচিব মাওলানা মো. আবু তাহের খান বই প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন। তিনি উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের ভোলার আলগী গ্রামের মাওলানা আব্দুল খালেক ও মোছা. মাকছুদা খাতুনের পুত্র। তার বার্ষিক আয়ের উৎস নেই, বাড়ি-অ্যাপার্টমেন্ট/বাণিজ্যিক স্থান, ব্যবসা, শেয়ার-বন্ড, চাকরি, অন্যান্য যেকোনো উৎস সব খাতেই তিনি একটি শব্দ ‘নাই’ ব্যবহার করেছেন। তার নগদ টাকা রয়েছে ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ টাকা। স্ত্রীর স্বর্ণ নেই, তার আছে ৫ ভরি। ইলেকট্রনিক পণ্য ফ্রিজ, মোবাইল ৪০ হাজার টাকা, খাট, সোফাসহ আসবাবপত্র রয়েছে ৮০ হাজার টাকার, স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ১০ শতাংশ ভূমি, যার মূল্য ৫০ হাজার টাকা। আবাসিক-বাড়িঘরও ‘নাই’।

আয়করের বর্ণনায় রয়েছে চাকরি ও অন্যান্য খাতে আয় ২ লাখ টাকা। আত্মীয়-স্বজন হইতে ধার বা কর্জ বাবদ অর্থের মধ্যে রয়েছে তার ভাই ভোলার আলগী গ্রামের কাজী আবু সাঈদের ৩ লাখ টাকা, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত অর্থের মধ্যে রয়েছে ভাই ভোলার আলগী গ্রামের আল মাহদীর ২ লাখ, চাচাতো ভাই ময়মনসিংহ ছোট বাজারের শরীফুর রহমানের ২ লাখ টাকা, আত্মীয় স্বজন ব্যতীত অন্যদের কাছ থেকে প্রাপ্য অর্থের মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহের চরপাড়ার মো. আবুল হাসেমের ২ লাখ টাকা।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১