‘খামারী মোবাইল অ্যাপ’ কে যাদুযন্ত্রের আখ্যায়িত করেছেন কৃষকরা। জমিতে
দাঁড়িয়ে অ্যাপস্ধেসঢ়; টাস্ধসঢ়; করলেই জমির শ্রেণি, ফসলের বার্তা, সারের মাত্রা
জানিয়ে দিচ্ছে এই যাদযন্ত্রের অ্যাপ। এমনটাই জানালেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর
উপজেলার চরশ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম।
তিনি আরও জানান, আগে জানতাম জমিনে সার বেশি দিলে ফলনও বেশি হয়।
নিজেদের ইচ্ছে মতো সার-কীটনাশক ব্যবহার করেছি। এতে আর্থিকভাবে
ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি, জমির উর্বরতা কমেছে, ফসলও পাওয়া হয়নি। এ অ্যাপ এ অ্যাপ
ব্যবহার করলে জমিতে কি পরিমাণ নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ আছে,
তা জানা যায়। সারের মাত্রা জানিয়ে দেয়। তাই ‘খামারী মোবাইল অ্যাপ’ এখন
আমাদের স্বপ্নের যাদুযন্ত্র।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের উদ্যোগে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের
আর্থিক সহযোগিতায় ময়মনংিহের গৌরীপুরে সোমবার (১৮ আগস্ট/২৫)
খামারি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণে এভাবেই নিজেদের অনুভূতি
প্রকাশ করেন কৃষক নন্দীগ্রামের আজিবুল ইসলাম, মইলাকান্দার মঞ্জুরুল ইসলাম,
বেলতলী গ্রামের রিপন মিয়া, মিরিকপুর গ্রামের সুমন চৌধুরী, মুখুরিয়া
গ্রামের জোনায়েদ হোসেন, খালিজুড়ী গ্রামের ফারুক মিয়া। কৃষক আজিবুল
ইসলাম জানান, আমার জমিতে কোন ফসল ভালো হবে, তা আগে কৃষি বিভাগের
নিকট জানতে আসতে হতো। কি কি সার দিবো, তাও জানা ছিলো না। এখন
জমিতে গিয়ে ক্লিক করলেই সব জানতে পারি, তাই এ যন্ত্রের আমি নাম
দেখিয়েছি ‘হাওয়াই যন্ত্র’।
গৌরীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা
কৃষি অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন জলি, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো.
আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রোগ্রামার আল হেলাল,
প্রোটোকল অফিসার মো. আল আমিন, উপসহকারী কৃষি অফিসার সুমন চন্দ্র
সরকার, মো. শরীফুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. উবায়েদ উল্লাহ নূরী,
মোছা. নাহিদা আক্তার প্রমুখ। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ২০জন কৃষিক ও ২৯জন
উপসহকারী কৃষি অফিসার অংশগ্রহণ করেন।###