শসা চাষী জহিরুল ইসলাম(৪৫), হযরত আলী (৫০)সাইব আলী ৫২) জানান, রমজানের ১ম ক’দিন ১২০০ টাকা মণ দামে শসা বিক্রি করে। তারপর ৬০০ থেকে নেমে ৪০০ টাকা মণে নেমে আসে দাম। প্রথম দিকে ভাল দাম ও ফলনে খুসি হলেও বাজার মুল্য নেমে আসায় হতাশ শসা চাষীরা । মযমনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার গোয়াতলা শসার বাজার ঘুরে শসা চাষী ও বেপারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে চাষিরা শসা বিক্রি করতে গোয়াতলা শসার বাজারে আসে। ন্যায্য দাম না পেয়ে চাষিরা হতাশা ভুগছে। শসা চাষি আব্দুস সালাম জানান তিনি ৫০ শতাংশ জমিতে শসা চাষ করেছেন। মাঠের খরচ বেশি হওয়া, বর্তমান বাজার মূল্য শসা বিক্রিতে লোকসান হচ্ছে। আবুল কালাম নামে এক কৃষক বলেন, ৬০ শতাংশ জমিতে ৩০ শসা চাষ করেছেন। রমজানের শুরুতে প্রথম সে ১৩০০ টাকা মণ দরে শসা বিক্রি করেচে। এখন শসার মূল্য কম হওয়া লোকশান গুনতে হচ্ছে। গোয়াতলা শসার বাজারের শসার ব্যাপারি আহসানুল হক জানান, কাঁচা বাজারের শসার দাম উঠানামা করে। যে সকল চাষী রমজানের শুরুতে শসা কাটতে পেরেছে
তারা ভাণো দাম পেযেছে। শসার ফলন ভালো হলেও দামে হতাশ চাষীরা।