ময়মনসিংহ-কিশোরগ মহাসড়কের পাশে কলতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের ফটক ঘেঁষে বিদ্যালয়ের ও সওজের সড়ক দখল করে এ মার্কেট নির্মাণ করা হয়। সাবেক স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির এমপি’র ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তার ভাতিজা ও গৌরীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ রফিকুল ইসলাম দিপু এ মার্কেট নির্মাণ করেন। জুলাই বিপ্লবের পর ৭ আগস্ট এ মার্কেটের নামকরণ করা হয় ‘শহিদ বিপ্লব মার্কেট।’ তবে এ মার্কেটের কোনো ভাড়া পায়নি শহিদ বিপ্লবের পরিবার।
এ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্দ হয়ে লোকজন বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি/২৫) রাতে বোল্ডোর দিয়ে গুড়িয়ে দেয়। এ প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কলতাপাড়ায় গুলিবিদ্ধ বাহালুল মুনশী বলেন, এ মার্কেট শহিদ বিপ্লবের নামে নামকরণ করা হলেও সেই পরিবার কোনো সুবিধা পাচ্ছিলেন না। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকজন এখনো সুবিধা নিচ্ছিলো।
জানা যায়, কলতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ঘেঁষে বিদ্যালয়ের এবং কিশোরগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিবাগের আনুমানিক ৪০ ফুট জায়গা দখল করে নেয়। এ জায়গায় আটটি দোকানঘর নির্মাণ করেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ রফিকুল ইসলাম দিপু। দোকানঘর নির্মাণের পর থেকে এ দোকানের ভাড়া ও দোকানীদের নিকট থেকে অগ্রিম টাকাও গ্রহণ করেন তিনি। এ দোকানদাররা জানান, তাদের প্রত্যেকের দোকান ঘরের জন্য ৫০হাজার টাকা করে অগ্রিম দেয়া ছিলো। দোকানঘর গুড়িয়ে দিলেও তারা তাদের অগ্রিম টাকা ফেরত পায়নি। দোকানের মালামাল সরিয়ে নেয়ারও সময় পায়নি।