ময়মনসিংহের তারাকান্দায় এলজিইডি’র সড়ক খুঁড়ে ও কাজ শেষ না করে ৪ সড়কের লাপাত্তা রয়েছে।ফলে ৫ সড়কের উন্নয়ন মুলক কাজের স্থবিসতা দেখা দেয়া পথচারীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, গত বছর কোটি লাখ হাজার টাকা ব্যায়ে তারাকান্দা -বাহেলা ব্রীজ
পর্যন্ত কিঃমিঃ সড়ক পূর্ন সংস্কার কাজ শুরু হয়া বাহেলা হইতে রামপুর বাজা পর্যন্ত সড়কের কাজ কার্পেটিং সম্পন্ন হয়। কিন্তু রামপুর বাজার হতে তারাকান্দা বাজার পর্যন্ত ী ইটের সুরকি পর্যন্ত কার রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা রযেছে। দীর্ঘদিনেও কার্পটিং না করা স্থানে স্থানে সুরকি উঠে খানাখন্দের সৃস্টি হচ্ছে। ফলে হালকাব যানবাহন,অোটোরিক্সা, মোটর সাইকেল নিয়ে যাতায়তে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। রোগী,ও গর্ভবর্তী নারীদের তারাকান্তা বা হাসপাতালা নেয় কষ্টকর হয়ে পররছে বলে রোগীর স্বজনরা জানিয়েছরমে। এ ছাড়া চিনাপাড়া-গাঁলাগাঁও সড়কের বাটিয়া পর্যন্ত ১কিঃকিঃ ৫০০ মিটার সগক বক্স কাটার পর বালি ফেলে ঠিকাদার উধাও হয়ে যয়। ভারী ও প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে মাটি,কাঁদা পানি একাকার হওয়া যানবাহন দূরের কথা পাযে হাটা দূরুহ হযে পড়েছে। একাধিক গ্রামবাসী জানান, বানিহারা ইউনিয়নেন এইচবিবি করা সড়ক হতে নলচাপড়া বগ মারিকানা বাগি পর্যন্ত ৫০০০ মিটার সড়ক বক্স কাটার পর
মারিকানা পুকুর হইতেরঠিকাদার বালি,মাটি ফেলে টিকাদাররম লাপা মরয়েছে। সুরকি কার্পেটিংয়ে না ফেলে আবাতীরধভূমি বানিয়ে রেখেছে। এ ছাড়া তালদাি হতেননুরুল বিশ্বাসের বাড়ি গর্যন্ত ৫০০ মিটির বালি ও সুরকির কাজ করে ঠিকাদার লাপাত্তা দীর্ঘ ৪ মাসেও কার্পেটিং হয়নি। বাদ্রকান্দ্রা ১ কিঃলোঃ সড়ক খুঁড়ে ঠিকাদার হাওয়ায় বসবাস করছে। তারাকান্দা- বাহেলা সড়কের ঠিকাদার আক্রাম হোসেনেরনমুঠোফুনে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মোবাইল রিসিভ করেননি।কুরকুচিকান্দা ও তালদিঘী সড়কে ঠিকাদার মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ এর সাথে মুঠোফুনে যোযাযোগ করলে মোবাইলে কল করলে মোবাইল রিসিভ করেনি।উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ জোবাযের হোসেন বলেন, ঠিকাদারদের তাগাদা দেযা হয়েছে।