ময়মনসিংহের তারাকান্দায় অপহৃত দুই মাদরাসা ছাত্রী অপহরণের ১ সপ্তাহ পর পুলিশ এক জনকে গ্রেপ্তার ও অপহৃত দুই ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের গোয়াতলা মাদরাসার মহিলা বিভাগের দুই ছাত্রী নাবিয়াা আক্তার (১২) ও রিমা আক্তার (১৩)গত ৬ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায নিজ বাড়ি থেকে মাদরাসার উদ্দ্যশে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। দুই ছাত্রী একই বাড়ির বাসিন্দাও সম্পর্কে চাচাত-জেটাতো বোন।
নাবিয়া আক্তারের পিতা নজরুল ইসলাম জানান খোঁজাখুজিকালে জানতে পান উপজেলার মধুপুর বটতলা গ্রামের নিখোঁজ ছাত্রীদ্বয়ের সাথে আলাপ আলোচনা করতে স্থানীযরা দেখেছে। ওই সূত্রে এলাকাবাসীর সহাযতায় মদুপুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনের পুত্র শরিফুল ইসরাম (২৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটক ওই যুবকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কয়ড়াকান্দা গ্রামে মোহাগের পুত্র নাইম(২২) ও রনকান্দা গ্রামের নুরুজ্জামানের পুত্র রতন( ২১)কে গ্রপ্তার করে। ওই ছাত্রীদ্বযের চাচা মোশারফ হোসেন জানান,ধৃত যুবকরা তার ভাতিজিদ্বযক অজ্ঞাত ৫/৬ জন যুবক পরস্পর যোগসাজসে তারাকান্দা বাসট্যন্ড এলাকায থেকে জোর পৃর্বক অপহরণ করে নিযে যায।
এ বিষয়ে মোশারফ হোসেন বাদি হযে ৫ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে তারাকান্দা থানা মামলা করেছে।
তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অপহৃত দুই ছাত্রী ডিমপি’র যাত্রা
বাড়ি এলকায় মোবাইল বিকাশ দোকান থেকে তার পিতার কাছে ২০০০টাকা পাঠানোর জন্য মোবাইল ফোন করে া ওই ফোনের সূত্র ধরে ডেমরা থানা পুলিশের সহায়তা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই বায়হানুর রহমান নাবিয়া আক্তার নামে অপহৃত এক ছাত্রীকে উদ্ধার।করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই রায়হানুর রহমান জানান, উদ্ধাকৃত বমভিকটিমের তথ্য মতে ভিকটিম রিমা আক্তারকে মযমনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ডেংগ্রী গ্রামের আবুল কাশেমের বাড়ি থেকে ভিকটিম রিমা আক্তারকে উদ্ধার করে এবং সোহেল( ২২)কে গ্রেপ্তার করে।সে ডেংগ্রী গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র। ভিকটিদ্বয়কে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও জবানবন্দীর জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করেন।ধৃত অপহরণকারী সোহেল (২২)কে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করেন।
বিঃদ্রঃ ছবি অপহরণকারী সোহেল(২২)