লালমোহনের তরমুজ চাষীদের মুখে হাসি নেই

মো. জসিম জনি, লালমোহন (ভোলা)

আবহাওয়া ভালো থাকায় ভোলার লালমোহনে এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে হাসি নেই তরমুজ চাষীদের মুখে। বাজারে ক্রেতা কম ও পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় চাষীদের গুনতে হচ্ছে লোকসানের হিসাব।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে লালমোহনের বদরপুর, ফরাজগঞ্জ ও পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চরের প্রায় ৩৯ হেক্টর জমিতে এ বছর তরমুজ চাষ হয়।

চাষী সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলার নবীরচরে ১৬ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ করেন তিনি। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ লাখ টাকার মতো। তবে তরমুজ বিক্রি করে এসেছে মাত্র ২৫ লাখ টাকা। সারা দেশে করোনাভাইরাসের প্রভাবে মানুষ গৃহবন্দি থাকার কারণে ক্রেতার হার কমে গেছে। যার জন্য অধিক ফলনেও আমাদের অর্ধেকেরও বেশি অংশ লোকসান গুনতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে গত বছরে তরমুজের ফসল নষ্ট হয়ে মোটা অংকের লোকসান গুনতে হয়েছে আমাদের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএফএম শাহাবুদ্দিন বলেন, কৃষি অফিস থেকে তরমুজ চাষীদের চাষাবাদ পদ্ধতি ও রোগবালাই সম্পর্কে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ বছর দেশে চলমান করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে চাষীদের তরমুজ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষীদের লোকসান কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।