ময়মনসিংহ বিভাগে আক্রান্ত ১৪৮২ জন-মৃত্যু ১৬

প্রধান প্রতিবেদক,  ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে রোববার ২টি মেশিনে ৭৫২ নমুনা পরীক্ষায় ৬৫ জনের করোনা পজিটিভ। একজনের মৃত্যু

রোববার ময়মনসিংহ বিভাগে আরো ৬৫ জনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। এরমধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৪৫ জন, জামালপুর জেলায় ১২ জন, শেরপুর জেলায় ৩ জন এবং নেত্রকোনা জেলায় ৫ জন।

ময়মনসিংহ জেলায় আক্রান্ত ৪৫ জনের মধ্যে এক চিকিৎসকসহ সদর-১০ জন, ভালুকা-২১ জন, ফুলপুর-৬ জন, ঈশ্বরগঞ্জ-৩ জন, ফুলবাড়িয়া-২ জন, ত্রিশাল-২ জন ও হালুয়াঘাট- একজনসহ ময়মনসিংহ জেলায় ৪৫ জন।

জামালপুর জেলায় ১২ জনের মধ্যে সদর-৯ জন, ইসলামপুর-২ জন ও দেওয়ানগঞ্জ একজন রয়েছে।

নেত্রকোনা জেলায় ৫ জনের মধ্যে কেন্দুয়া-৪ জন ও কলমাকান্দা-১ জন রয়েছে।

শেরপুর জেলার বকশিগঞ্জ-৩ জন রয়েছে।

এনিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগে আক্রান্ত ১,৪৮২ জনের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৭১৩ জন, জামালপুর জেলায় ৩৪৭ জন, নেত্রকোনা জেলায় ২৯৯ জন এবং শেরপুর জেলায় ১২৩ জন।

আজ সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ জন। এনিয়ে চার জেলায় সুস্থ্য হলেন ৫৪৮ জন।

এদিকে করোনার আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহের এসকে হাসপাতালে আজ ঢাকার ফকিরা গ্রুপের গার্মেন্টস বিভাগের এইচআর প্রধান ড. দেবাশীস দাস নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ময়মনসিংহের সহকারি জেলা ও দায়রা জজ ঊমা রানী দাসের স্বামী। শ্বাসকষ্ট নিয়ে শনিবার মচিমহায় ভর্তির পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এসকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। রবিবার সকাল ৭ টার দিকে মারা যান তিনি। তার বাড়ি ঢাকার সাভার উপজেলার শিমুলিয়ায়। পরে বিকেলে কেওয়াটখালী শ্বশ্বানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।

মেধাবি এই বেসরকারি কর্মকর্তা পিতার চাকুরির সুবাদে ১৯৮৩ সালে ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি এবং আনন্দমোহন কলেজ থেকে ঢাকা বোর্ডে ৭ম স্থান দখল করে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাড়িজমান ইংল্যান্ডে। সেখানে আটলান্টিক ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বার্মিংহাম থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ দেশে ফিরে খ্যাতনামা গার্মেন্টস ফকিরা গ্রুপের এইচ আর হেড হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

এনিয়ে বিভাগে সর্বমোট মারা গেছেন ১৬ জন। এরমধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৭ জন, জামালপুর জেলায় ৪ জন এবং নেত্রকোনা জেলায় ৩ জন ও শেরপুর জেলায় ২ জন।