বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তে ২৫ কিলোমিটার যানজট

বাহাদুর ডেস্ক :

অতিরিক্ত গাড়ির চাপে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত উত্তরবঙ্গমুখী প্রায় ২৫ কিলোমিটার মহাসড়ক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

ভোর থেকে ধীরগতিতে গাড়ি চললেও ১১টা থেকে প্রায় একঘণ্টা গাড়ি দাঁড়িয়েছিল। সিরাজগঞ্জের দিকে গাড়ি টানতে না পারায় প্রায় ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু টোলপ্লাজা বন্ধ ছিল।

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি নিয়েই ঘরে ফিরছে হাজারো মানুষ। যানজটে পড়ে দুর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার যাত্রী। বিশেষ করে শিশু ও নারীরা রয়েছে চরম কষ্টে। তবে ঢাকার দিকে মহাসড়কের অপর লেন চালু রয়েছে।

ট্রাফিক পরির্দশক ইফতেখার নাসির রোকন জানান, দুটি ফেরিঘাট বন্ধ হওয়ায় হাজার হাজার গাড়ি এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করছে। করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে শহর থেকে হাজার হাজার মানুষ গ্রামে ছুটছে। দুপুর ১২টার পর থেকে ধীরগতিতে গাড়ি চলছে।

মহাসড়কটিতে যাত্রীবাহী বাসের চেয়ে ট্রাকের সংখ্যাই বেশি। মানুষজন ট্রাকে চড়েই গ্রামে ছুটছে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় যাত্রীরা করোনা আতঙ্কের কথা চিন্তা না করেই ট্রাকে ও পিকআপ ভ্যানে গাদাগাদি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফিরছে।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া যানজট আজও অব্যাহত রয়েছে। বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত মির্জাপুরে প্রায় ৩০ কিলোমিটার যানজট ছিল। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় যানজট।

শ্রমিক রহিজউদ্দিন ট্রাকে করে যাচ্ছেন বগুড়ার সোনাতলা গ্রামের বাড়িতে। কম ভাড়ার কারণে ট্রাকে করে ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরছেন।

তিনি বলেন, ‘শহরে কোনো কাজ নাই, তাই বাড়ি যাচ্ছি। মরলি বউ ছাওয়াল লিয়ে এক সাথে মরব।’

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি কাজী আইয়ুবুর রহমান জানান, সরকারি ছুটি ঘোষণার কারণে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় মহাসড়কে বাসের চেয়ে ট্রাকের সংখ্যাই বেশি। ফলে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে কাজ করছে পুলিশ।

টি.কে ওয়েভ-ইন