বঙ্গবন্ধুর খুনির পরিবর্তে মোসলেম উদ্দিন এমপি’র ছবি আপলোড করে ফেইসবুকে অপপ্রচার ॥দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

এম এ আজিজ, স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ট, আস্থা ও বিশ্বাসভাজনকর্মী সহযোদ্ধা ফুলবাড়ীয়ার কিংবদন্তী, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গণপরিষদ সদস্য ছয়বারের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন এডভোকেটকে বার বার দমাতে চেষ্ঠা করে ব্যর্থ হয়ে নতুন গুজবে নেমেছে ঐ চক্রটি। তার বিরুদ্ধে যে বা যারা এ ধরণের গুজব সৃষ্টি করেছে ঐ সকল কুচক্রি মহলকে তথ্য-যুক্তি আইনে গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তকঠোর শাস্তি দাবিতে ফুসে উঠেছে ফুলবাড়িয়ার আবাল বৃদ্ধ বনিতাসহ লাখো মানুষ। করোনা আতংকে পুরো বিশ্ব যখন টাল-মাটাল, সারা দুনিয়া কাপছে। চলছে মহাদুর্যোগ। এই দুর্যোগকালীন সময়েও থেমে নেই কুচক্রিমহল। মাঠে নেমেছে নতুন গুজব নিয়ে। ফুলবাড়িয়াবাসির অভিমত, স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া আসন (বর্তমান ১৫১-ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসন) থেকে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী করেন মোঃ মোসলেম উদ্দিন এডভোকেটকে। প্রাদেশিক পরিষদের ঐ নির্বাচনে মোসলেম উদ্দিন এডভোকেট বিজয়ী হয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহযোদ্ধা হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে একজন সংগঠক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশের গঠনতন্ত্র প্রণয়নে করেন স্বার। স্বাধীনতার আগ থেকে আজ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠক মোসলেম উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পতাকাতলেই আছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আস্থা ও বিশ্বাসভাজন মোসলেম উদ্দিন এডভোকেট তার বিশ্বস্থতা ধরে রাখায় তারই কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রতি আস্থা রেখে আসছেন। গণপরিষদসহ ৬ বার সংসদে ফুলবাড়িয়া আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। ফুলবাড়িয়াবাসি আরো দাবী করেন, আস্থা ও বিশ্বাসের দিক দিয়ে কোন ধরণের ঘাটতি না থাকলেও মোসলেম উদ্দিন এডভোকেটের বিরুদ্ধে ১৯৭৯ সালের পর থেকে ফুলবাড়িয়ায় শুরু হয়েছে নানা চক্রান্ত। বার বার এই পরীতি নেতাকে দমানোর চেষ্ঠা চলে। রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা করতে এমন কিছু নেই যে ঐ চক্র করেনি। এ সব চক্রের ইন্দন ও পরামর্শে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, গণপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটিতে স্বারকারী মোসলেম পরীতি নেতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধী আখ্যাদিয়ে যোদ্ধাপরাধের অভিযোগে নাটকীয় মানহানীকর মামলা পর্যন্ত করে। এ সব চক্র ১৯৮৬ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচন এলেই শুরু করে নানা অপ্রপচার। বিগত নির্বাচনেও আওয়ামীপন্থী কিছু স্বার্থানেষি মহল জামাত-বিএনপিপন্থী কিছু অসাধুচক্র গণপরিষদ সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ছয়বারের নির্বাচিত সাংসদ বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা, জননেতা আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন এডভোকেটকে হেয় করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আতœ-স্বীকৃত খুনি সাজাপ্রাপ্ত মোসলেহ উদ্দিন রবিবার ভারতে ধরা পড়েছে। এ খবরের সাথে সাথে একটি চক্রটি একটি নিউজ পোর্টালে খুনি মোসলেহ উদ্দিনের ছবির পরিবর্তে জাতির জনক ও তারই কন্যা প্রদানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা বিশ্বাসভাজন ছয়বারের নির্বাচিত এমপি মোসলেম উদ্দিন এডভোকেটের ছবি আপলোড করে পোষ্ট করেছে। ঐ নিউজ পোর্টালটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হলে ফুলবাড়িয়ায় ােভ বিরাজ শুরু করে। অপরদিকে দীঘদিনের ষড়যন্ত্রকারীরা নানা মুখরোচক আলোচনায় মেতে উঠেছে। এখন প্রশ্ন আসলেই কি ঐ নিউজ পোর্টালে জননেতা আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন এমপির ছবি ছাপা হয়েছে..? শুধু মুখে বললেই তো হবেনা। তার জন্য চাই সংগৃহীত কপি/তথ্য প্রমাণাদি। যারা যারা এই অহেতুক মিথ্যাকে কেন্দ্র করে মিথ্যাচার পাবলিটিসিটি তাদের ধিক্কার জানিয়েছেন ফুলবাড়িয়াবাসি। অপরদিকে এই মিথ্যা গুজব ছড়ানো দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ফুরবাড়িয়াবাসি।