আজ বৃহস্পতিবার ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩০, ৩০শে নভেম্বর ২০২৩

শিরোনাম:
কাল ৩০নভেম্বর এই দিনে গৌরীপুরে শহিদ হয় ৪ মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ, মনজু, মতি ও জসিম : পলাশকান্দা ট্র্যাজেডি দিবস গৌরীপুরের শ্যামগঞ্জে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন মনোনয়ন বঞ্চিতগণের সংবাদ সম্মেলন \ গৌরীপুরে নৌকা’র মাঝি পরিবর্তনের দাবী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গৌরীপুর জাপা’র প্রার্থী ডা. আকাশ ঈশ্বরগঞ্জে মোটর শুভাযাত্রায় আ’লীগ প্রার্থীকে সংবর্ধনা ভিক্ষা নয়, কর্ম করতে চায় প্রতিবন্ধী তৈযব আলী ভিক্ষা নয়, কর্ম করতে চায় প্রতিবন্ধী তৈযব আলী ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরে আর সি সি ড্রেন র্নিমাণ কাজের উদ্বোধন ভিক্ষা নয়, কর্ম করতে চায় প্রতিবন্ধী তৈযব আলী ভিক্ষা নয়, কর্ম করতে চায় প্রতিবন্ধী তৈযব আলী
||
  • প্রকাশিত সময় : জানুয়ারি, ৬, ২০২০, ১:৩০ অপরাহ্ণ




দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড বিদায়ী বছরে রেমিট্যান্স ১৮৩৩ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক :

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সদ্যবিদায়ী ২০১৯ সালে। যার পরিমাণ ১ হাজার ৮৩৩ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭৬৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর আগে ২০১৮ সালে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার। তবে ২০১৯ সালের রেমিট্যান্স আহরণের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বরে প্রবাসীরা ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মাধ্যমে বিদায়ী ২০১৯ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। মূলত সরকারের দুই শতাংশ নগদ প্রণোদনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা উদ্যোগের কারণে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছর ব্যাংক ও ব্যাংক-বহিভর্‚ত আর্থিক খাত, পুঁজিবাজার, রাজস্ব আয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিসহ অর্থনীতির সব সূচক উল্টোপথে হাঁটলেও বছরজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এই রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সহায়ক ভ‚মিকা পালন করেছে।

২০১৯ সালের প্রথম থেকেই বাড়তে থাকে রেমিট্যান্স প্রবাহ। ওই বছরের জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৫৯ দশমিক ৭২ কোটি মার্কিন ডলার। ফেব্রুয়ারিতে ১৩১ দশমিক ৭৭, মার্চে ১৪৫ দশমিক ৮৬ ও এপ্রিলে ১৪৩ দশমিক ৪৩ কোটি মার্কিন ডলার। এরপর মে মাসে আবার রেকর্ড পরিমাণ ১৭৪ দশমিক ৮১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে।

ওই বছর জুনে ১৩৬ দশমিক ৮২ কোটি মাকির্ন ডলার, জুলাইয়ে ১৫৯ দশমিক ৭৬ কোটি মার্কিন ডলার, আগস্টে ১৪৪ দশমিক ৪৭ কোটি মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৪৭ দশমিক ৬৯ কোটি মার্কিন ডলার, অক্টোবরে ১৬৩ দশমিক ৯৬ কোটি মার্কিন ডলার, নভেম্বরে ১৫৫ দশমিক ৫২ কোটি মার্কিন ও সর্বশেষ ডিসেম্বর মাসে ১৬৮ দশমিক ৭০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে। বছর শেষে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৩২ কোটি ৫১ লাখ মার্কিন ডলার। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বছরের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

বছরভিত্তিক রেমিট্যান্স : কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পঞ্জিকা বছর হিসাবে ২০১৮ সালে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। ২০১৭ সালে ১ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার, ২০১৬ সালে ১ হাজার ৩৬১ কোটি ডলার ও ২০১৫ সালে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ডলার।

অন্যদিকে অর্থবছর হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৬৩১ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স জিডিপিতে অবদান রেখেছে ১০ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষ ১০টি দেশ হলো যথাক্রমে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান, যুক্তরাজ্য, কাতার, ইতালি ও বাহরাইন।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০