গৌরীপুরে সরকারের নির্দেশনা-অভিযান উপেক্ষা করে বাড়ছে গনসমাগম!

প্রধান প্রতিবেদক :
নভেল করোনা ভাইরাস প্রার্দুভাব কমাতে সরকারের ঘোষিত নির্দেশনা কাজে আসছে না। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, পুলিশের এক্যাশান আর জনপ্রতিনিধিদের ঘরেঘরে গিয়ে দেয়া বার্তাও শোনছেন সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার (৩১মার্চ/২০২০) এমন অবস্থার দেখা মিলে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার পৌর শহরের মাছ বাজার, সবজি মহাল, হাঁস-মুরগীল মহালে। এছাড়াও শহরতলীর মোড়ে মোড়ে জমে উঠে এ যেন ঈদের আনন্দ উৎসব। বালুয়াপাড়া মোড়ের বাজার ও ডৌহাখলা ইউনিয়নের তাঁতকুড়া বাজারে সকালে ছিলো উপচেপড়া মানুষের ভিড়। এছাড়াও সহনাটী ইউনিয়নের পাছার বাজার, ডৌহাখলা ইউনিয়নের ডৌহাখলা বাজার, কলতাপাড়া বাজার, নগুয়া, খামারের বাজার, রামগোপালপুর ইউনিয়নের রামগোপালপুর বাসস্ট্যান্ড বাজার, মইলাকান্দা ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ বাজারেও ছিলো একই অবস্থা। সন্ধ্যার পরে এসব বাজার ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে জমে উঠছে জমজমাট আড্ডাও।

অপরদিকে এসব স্থানে গনসমাগম না করার জন্য আহ্বায়ন জানিয়ে লিফলেট, মাইকিংয়ে প্রচার করছেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান, পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, ইউএনও সেঁজুতি ধর এবং ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ। তারপরেও থামছে না গনসমাগম।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেঁজুতি ধর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাসুদ রানা’র নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্ধশত দোকানদারকে জরিমানা করেন। তাদের নেতৃত্বে ভেঙে দেয়া হয় শতাধিক চায়ের দোকান। চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন অনুদান। এসব কর্মসূচীর পরেও উৎসুক জনতা হুমকি খেয়ে পড়ছেন সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও স্থানীয় বাজারের দোকানপাটে। এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম কাজ করছে, সেনাবাহিনীও তদারকি করছে, এরপরেও আইন অমান্য করলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

টি.কে ওয়েভ-ইন