গৌরীপুরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের এমপি নাজিমের উদ্যোগে সংস্কার শুরু

প্রধান প্রতিবেদক :
‘প্রেরণা জোগাবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, ৭মার্চের পটভূমিতে গৌরীপুরে নির্মিত এ স্থাপনা দেখার কেউ নেই’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক স্বজন, অনলাইন পোর্টাল দৈনিক বাহাদুর, বার্তা২৪ডটকমসহ একাধিক অনলাইনে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরেই বিশাল ভাষ্কর্য সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগে গৌরীপুর থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য, ময়মনসিংহে প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (১১ মার্চ/২০২০) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন বাহাদুরের নেতৃত্বে রংতুলিতে চলছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষ্কর্যে ‘মুজিবকোর্টে’ রংমেশানো। চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন বাহাদুর জানান, সাদা পাথরে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ভার্স্কযটিতে ধুলো-বালির আস্তর জমা পড়েছে। কয়েকদিন লাগবে শ্রমিকদের সেগুলো ধুয়ে-মুছে পরিস্কার করতে। এখন বঙ্গবন্ধু কোর্ট প্রথমে আচড় দেয়া হচ্ছে। এরপর পুরো ভাস্কর্যটিতে আবারও অপরূপ সাজে সজ্জিত করা হবে। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের আগেই ভাস্কর্যটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে।

অপরদিকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের নিচে থাকা ‘মানবতার জননী শেখ হাসিনা’ ছবি গ্যালারীকেও নতুনভাবে সাজিতে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান ১৪৮ ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য্য অবহেলা-অযতেœ থাকবে না, তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার। শুধু বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য নয়; জাতির জনক ও জাতীয় চারনেতার মুর‌্যালকেও নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের নিকট মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ তুলে ধরতে আরো নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি এ প্রতিনিধিকে আরো বলেন, প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির এমপি- এ স্থাপত্য শিল্প নির্মাণের মাধ্যমে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা ছিলো প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে উদ্বোধন। তার জন্যও উদ্যোগ নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির ২০১৫ সালে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের কলতাপাড়া বাজারে ৫৩ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ভার্স্কয নির্মাণ শেষের দিকে ২০১৬ সালের ২ মে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর সরকারি কিংবা বেসরকারি ভাবে কেউ এগিয়ে না আসায় আটকে যায় বৃহৎ এই ভাস্কর্যের নির্মাণকাজ।

টি.কে ওয়েভ-ইন