আফ্রিকার দলগুলো নিয়ে অন্ধকারে ফুটবলাররা

বাহাদুর ডেস্ক :

শীতের হিম সকাল। এর মধ্যেই কমলাপুর স্টেডিয়ামে হাজির জাতীয় দলের ফুটবলাররা। ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে এখনও ঢাকায় আসেননি। তার অনুপস্থিতিতে সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস শিষ্যদের নিয়ে অনুশীলনে নামেন। অনুশীলন শুরু করলেও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সব দেশের নাম জানেন না জাতীয় দলের ফুটবলাররা। টুর্নামেন্টে খেলতে যাদের আনা হচ্ছে, তাদের মধ্যে কারও কারও নাম আগে কখনও শোনেননি লাল-সবুজের ফুটবলাররা।

গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানার কথায়, ‘আসলে আমাদের তেমন ধারণা নেই আফ্রিকার দলগুলো সম্পর্কে। আমরা শুধু ফিলিস্তিন ও শ্রীলংকা সম্পর্কে জানি। আমাদের শেখ রাসেলের কেনিয়ান গোলকিপার কোচ আবদুল ইদ্দি সেলিমের কাছ থেকে আফ্রিকান দলগুলোর ব্যাপারে জানার চেষ্টা করেছি। যতটুকু জেনেছি তিনটি দলই দৈহিকভাবে অনেক শক্তিশালী।’

জাতীয় দলের মিডফিল্ডার সোহেল রানা আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, ‘আমি আসলে দু’একটি দলের নামই শুনিনি।’ কোন দলের নাম শোনেননি জানতে চাইলে সোহেল রানা হেসে বলেন, ‘গুলুগুলু।’ পরে ‘বুরুন্ডি’র নাম বলতেই সোহেলের উত্তর, ‘হ্যাঁ’। বি-গ্রুপে আফ্রিকা মহাদেশের তিন দল বুরুন্ডি, মরিশাস ও সিসিলেস সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও বাংলাদেশের গ্রুপের দুই দল সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা আছে সোহেলের, ‘ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে আমরা গতবার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে খেলেছি। সেমিফাইনালে হেরেছিলাম। আশা করি, এবার প্রতিশোধ নিতে পারব। শ্রীলংকা এসএ গেমসে ছিল। তাছাড়া ২০১৮ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও খেলেছি তাদের সঙ্গে।’

অনুশীলন পদ্ধতি সম্পর্কে সোহেল বলেন, ‘এখন মূলত কৌশল নিয়ে কাজ হবে। সব খেলোয়াড়েরই ফিটনেস লেভেল ঠিক আছে। আমরা এখন ফিলিস্তিন নিয়ে ভাবছি। পরিকল্পনা করছি। ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোবো।’ আজ সন্ধ্যায় বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলারদের ক্যাম্পে যোগ দেয়ার কথা। সদ্য শেষ হওয়া ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ছুটিতে ছিলেন খেলোয়াড়রা। কোচ জেমি ডে ও অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ঢাকায় এসে আজ অনুশীলনে যোগ দেবেন।

টি.কে ওয়েভ-ইন